কুলাউড়ায় তিন সন্তানের জনকের অনৈতিক সম্পর্কে ষষ্ট শ্রেণীর ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা!

616

নানা প্রলোভনে আকৃষ্ট করে দীর্ঘদিন যাবৎ উপজেলার এ.এন. উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণীর এক ছাত্রীর সাথে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তুলে তিন সন্তানের জনক রজব আলী (৪৩) নামে এক লম্পট। শারীরিক সম্পর্কের জেরে মেয়েটি (১৩) দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

ঘটনাটি ঘটেছে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার টিলাগাঁও ইউনিয়নে।

এঘটনাটি পরিবার ও এলাকাবাসীর নজরে আসলে ক্ষিপ্ত রজব আলী বাড়ি থেকে স্কুল যাওয়ার পথে ওই ছাত্রীকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এঘটনায় গত রবিবার (৪ আগস্ট) স্কুল ছাত্রীর বাবা বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। পুলিশ অপহৃতা ওই ছাত্রীকে উদ্ধারপূর্বক রজব আলীকে আটক করে। সে উপজেলার টিলাগাঁও ইউনিয়নের সুজাপুর গ্রামের সাদি বাকরের ছেলে।

পরিবার ও থানার অভিযোগ থেকে জানা যায়, রজব আলী ব্যক্তিগত জীবনে তিন সন্তানের জনক। তার স্ত্রী সাফিয়া বেগম দুই বছর যাবৎ প্রবাসে ওমানে রয়েছেন। রজব আলীর পাশের বাড়ির পাশে ওই ছাত্রীটির ঘর। আত্মীয়তার সূত্র ধরে সে প্রায়ই মেয়েটির বাড়িতে যাতায়াত করতো। ওইসময় অবৈধ মেলামেশায় লিপ্ত হয় সে। পরিবার ও স্থানীয়দের নজর এড়িয়ে ৪৩ বছরের রজব আলী নানা প্রলোভনে আকৃষ্ট করে মাত্র ১৩ বছরের মেয়েটির সাথে অবৈধ মেলামেশা করতে থাকে। এরই এক পর্যায়ে গত ১ আগস্ট বাড়ি থেকে স্কুল যাওয়ার পথে মেয়েটিকে বিয়ে করার উদ্দেশ্যে অপহরণ করে নিয়ে যায় ওই লম্পট। খোঁজাখোঁজির একপর্যায়ে রজব আলী মেয়েটির বাবাকে মোবাইল কল দিয়ে জানায়, ‘আমি আপনার মেয়েকে বিবাহ করেছি’। পরিবার বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনার তিনদিন পর মেয়েটির বাবা গত রবিবার (৪ আগস্ট) কুলাউড়া থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগের সূত্র ধরে অপহৃতা ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে রজব আলীকে আটক করেছে পুলিশ।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই কানাই লাল চক্রবর্তী জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে মেয়েটি দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা। মেয়েটির বাবার অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং রজব আলীকে আটক করা হয়েছে।

আটক ও উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুলাউড়া থানার ওসি ইয়ারদৌস হাসান।