বিনা উইকেটে ১০০ রান পার ইংল্যান্ডের

53

বাংলাদেশের বিপক্ষে টস হেরে আগে ব্যাটিং করতে নেমে দারুন সূচনা করেছে স্বাগতিক ইংল্যান্ড। বাংলাদেশের বিপক্ষে কোনো উইকেট না হারিয়ে ১১২ রান করে ১৭ ওভারে। পাওয়ার প্লের প্রথম ১০ ওভারে আসে ৬৭ রান। ইংল্যান্ডের দুই ওপেনার জেসন রয় ও জনি বেয়ারেস্ট অপরাজিত আছেন ৫৯ ও ৩৯ রানে।

টসে জিতে ইংল্যান্ডকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় বাংলাদেশ। কার্ডিফে বাংলাদেশ আজকের ম্যাচ খেলছে অপরিবর্তিত একাদশে। আগের দুই ম্যাচের মতো দলের বাইরে রয়েছেন লিটন দাস, রুবেল হোসেন, আবু জায়েদ চৌধুরী, সাব্বির রহমান। দুই ম্যাচে মিশ্র অভিজজ্ঞতা পায় টাইগাররা।

স্বাগতিকদের বিপক্ষে আজ জয় পেলেই টানা তিন বিশ্বকাপে ইংলিশদের হারানোর বিরল এক রেকর্ডে নাম লেখাবে টাইগাররা। আগের দুই ম্যাচের একাদশ নিয়েই মাঠে নামবে বাংলাদেশ।

শেষ দুই ম্যাচে খেলা একাদশ নিয়েই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। অলরাউন্ডার সাইফউদ্দিনের জায়গায় রুবেলের হোসেনের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে গুঞ্জন ছিল। কারণ গত বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের সঙ্গে জয়ের অন্যতম নায়ক ছিলেন তিনি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সাইফউদ্দিনেই আস্থা রেখেছে টিম ম্যানেজমেন্ট।

বাংলাদেশের একাদশ: তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, মোহাম্মদ মিঠুন, মাহমুদউল্লাহ, মোসাদ্দেক হোসেন, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মেহেদী হাসান মিরাজ, মাশরাফি বিন মুর্তজা ও মোস্তাফিজুর রহমান।

বাউন্সি উইকেটে বাংলাদেশের দুর্বলতা জেনেই হয়তো একজন বেশি পেসার দলে অন্তর্ভুক্ত করেছে ইংল্যান্ড। লিয়াম প্লাঙ্কেটকে একাদশে অন্তর্ভুক্ত করেছে দলটি। লেগ স্পিনার আদিল রশিদের জায়গায় নেওয়ার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে মইন আলিকে বাদ দেয় দলটি। বাংলাদেশের লেগ স্পিন দুর্বলতার কথাও তাদের অজানা নয়। এছাড়াও বাংলাদেশের টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যানই বাঁহাতি। সে কারণেই হয়তো এ সিদ্ধান্ত।

ইংল্যান্ড একাদশ: জেসন রয়, জনি বেয়ারস্টো, জো রুট, ইয়ন মরগান, বেন স্টোকস, জস বাটলার, লিয়াম প্লাঙ্কেট, ক্রিস ওকস, মার্ক উড, আদিল রশিদ ও জোফরা আর্চার।

২০১১ সালে চট্টগ্রামে রোমাঞ্চে ঠাসা রান তাড়ায় ইংল্যান্ডকে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। ২০১৫ সালেও ফের রোমাঞ্চ আর উত্তেজনায় ঠাসা ম্যাচ। সেবার অ্যাডিলেডে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের সেঞ্চুরি আর রুবেল হোসেনের শেষের স্পেলে ইংল্যান্ডকে বিদায় করে দিয়েছিল বাংলাদেশ। এবার কার্ডিফে ইংল্যান্ডকে বিশ্বমঞ্চে টানা তিনবার হারানোর সুযোগ মাশরাফি বিন মর্তুজার দলের। এই সুযোগ নিতে মরিয়া বাংলাদেশ অবশ্য সাম্প্রতিক সময়ে ইংলিশদের শক্তির কথা মাথায় রেখে নিয়েছে নতুন কৌশল।

বিশ্বকাপে এর আগে মোট তিনবার মুখোমুখি হয়েছে ইংল্যান্ড আর বাংলাদেশ। ইংল্যান্ড জিততে পেরেছে কেবল ২০০৭ সালে। বাকি দুটিতেই বাংলাদেশের বিখ্যাত জয়। তবে এবার ‘রক্ষণশীল’ মেজাজের সেই ইংল্যান্ড দল আর নেই। বর্তমানে ক্রিকেটবিশ্বে সবচেয়ে আগ্রাসী ক্রিকেট খেলে তারা। শক্তির বিচারে তাই ঢের এগিয়ে ইয়ন মরগানরা। আগ্রাসী ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের তরিকা তাই ‘রক্ষণশীল’ ক্রিকেট। মাশরাফি বলেছেন, তাদের বিপক্ষে রক্ষণই নাকি আসল আক্রমণ!