চুয়াডাঙ্গা নিজ উদ্যোগে গড়ে তুলেছে পাঠাগার।

89

আতিকুজ্জামান চঞ্চল,চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গা শিক্ষক মোস্তাক আহমেদ সরকার নিজ উদ্যোগে গড়ে তুলেছে পাঠাগার। চুয়াডাঙ্গা সদরের নিভৃত পল্লী ৬২ নং আড়িয়া গ্রামে নিজ উদ্যোগে সবুজ, ছায়া ঢাকা নিরিবিলি প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়ে তুলেছেন ম.আ.সরকার পল্লী পাঠাগার।‘আলোকিত মানুষ চাই, একটি গ্রাম একটি পাঠাগার স্লোগানকে সামনে রেখে নিস্বার্থভাবে পরিচালনা করছেন শিক্ষক মস্তাক আহম্মেদ ।

তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও পল্লী পাঠাগার প্রতিষ্ঠার পিছনের গল্প নিয়ে আশেপাশের গ্রামের মানুষদের মধ্যে অশিক্ষার অন্ধকার দুরে করে কিভাবে আলোকিত মানুষ গড়া যায় তাই নিয়ে স্বপ্ন দেখতে দেখতে। একদিন খূজে পেল।পাঠাগার বা লাইব্রেরীই পারে একমাত্র সমাজ থেকে এই অশিক্ষার অন্ধকার দুর করতে। নিজের জমা করা অর্থ দিয়ে কিনলেন কিছু বই। নিজের বাড়ীতেই গড়ে তলেন ছোট একটি পাঠাগার। তবে পড়ার মত লোক নেই। হতাস মস্তাক আহম্মেদ সরকারের। পাশে এসে দাড়ালেন বাল্য বন্ধু মিজানুর রহমান মন্ডল। মস্তাক আহম্মেদ সরকার কে দিতে থাকবেন উৎসাহ। দুজনই গ্রামের মানুষকে পাঠাগারে আনার জন্য দীর্ঘদিন যাবত চেষ্টা চালাতে থাকে। এমন সময় গ্রামেই প্রতিষ্ঠিত হল একটি প্রাইমারী স্কুল। সেই স্কুলে শিক্ষক হিসাবে যোগদান করলেন মস্তাক আহম্মেদ সরকার। এলাকায় একদিন শিক্ষার আলো জ্বলে উঠবে সেই স্বপ্নে নিয়ে। দুই বন্ধু মিলে পরামর্শ করল বাড়ীতে লাইব্রেরী দিয়ে কাউকে লাইব্রেরী মুখি করা সম্ভব না এর জন্য প্রয়োজন সুন্দর পরিবেশ। মস্তাক আহম্মেদ সরকার তাই পৈতিকসুত্র পাওয়া জমিতে। বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে ধার দেনা করে টিনের একটি ঘরও তৈরী করলেন ।
প্রতিদিন সন্ধ্যায় ম.আ. সরকারের পল্লী পাঠাগারে বই পড়ার আসর।

পাঠাগারের সামনে একটি ছোট দোকান বসানো হয়েছে সেই দোকানে বিকালে মুখরোচক ভাজা খেতে এসেই একটু বই পড়ে।

প্রতিমাসেই এলাকার শিক্ষিত মানুষদের নিয়ে বৈঠক বসানো হয়। কিভাবে এলাকার মানুষকে পাঠাগার আনা যায় সে বিষয় নিয়ে আলোচনা আর সেই আলোচনা মোতাবেক কর্ম

এই প্রত্যাশায় ব্যক্ত করলেন মস্তাক আহম্মেদ সরকার। পাঠাগারের বইয়ের বৃদ্ধি সহ যাবতীয় সহযোগিতার জন্য চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক সহ সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহযোগিতা কামনা করছেন তিনি।