ঘূর্ণিঝড় “ফনি” ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে মৌলভীবাজারে

2,329

বাংলাদেশের দিকে ধেয়ে আসা ঘূর্ণিঝড় “ফনি”র আঘাতে মৌলভীবাজার জেলায় ব্যাপক ক্ষতির বিশেষ বার্তা মিলেছে। বিশেষ এ বার্তায় সকলকে সতর্ক থাকার আহবান করা হয়েছে।

ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী ঘূর্ণিঝড় ফনি সংশ্লিষ্ট কারণে প্রথম দফা ২-৩ মে ভারতের মেঘালয় অববাহিকায় এবং ২য় দফা ৬-৭ মে ভারতের মেঘালয়সহ বাংলাদেশের মেঘনা অববাহিকা, মধ্যাঞ্চল ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভবনা রয়েছে। ভারত থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের পানি নেমে মৌলভীবাজারের মনু, ধলাই ও সিলেটের সুরমা ও কুশিয়ারী নদীর পানি অস্মাভাবিক ভাবে বৃদ্ধি পেয়ে বন্যা দেখা দিতে পারে।

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানায়, বাংলাদেশ এবং ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে অবস্থারত ঘূর্ণিঝড় ফনি বর্তমানে উক্তর ও উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ২৮ এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৬ টার সময় ঘূর্ণিঝড় “ফনি” টট্টগ্রাম বন্দর থেকে ১৭৪৫ কি.মি., কক্সবাজার থেকে ১৬৬৫ কি.মি, মংলা বন্দর থেকে ১৭২৫ কি.মি. ও পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ১৬৮৫ কি.মি., দক্ষিণে অবস্থান করছিল।

আগামী দুই দিনে ঘূর্ণিঝড় ফনি একটি ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। ঘূর্ণিঝড়টি উত্তর-পশ্চিমে দিক বরাবর ভারতের উপকূলমূখী অগ্রসরমান থাকতে পারে, যার গতিপত পরবর্তিতে উত্তর-পূর্বমুখী পরিবর্তিত হয়ে বাংলাদেশের দিকে অগ্রসর হয়ে মংলা সহ উপকুলীয় এলাকায় শুক্রবার সন্ধ্যায় আঘাত হানতে পারে।