শেরপুরে বাস থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে শিক্ষার্থী ‘হত্যা’: সেই চালক ও সহকারীর পক্ষে ধর্মঘট ডেকেছে পরিবহন শ্রমিকরা

561

মৌলভীবাজার টুয়েন্টিফোর ডট কম: বাস থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ঘোরী মো. ওয়াসিম আব্বাস হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া উদার পরিবহনের চালক ও সহকারীর পক্ষে আন্দোলনে নামছে পরিবহন শ্রমিকরা।

চালক ও সহকারীকে হত্যা মা্মলা থেকে অব্যাহতি প্রদানসহ ৭ দফা দাবিতে ২৯ এপ্রিল সকাল-সন্ধ্যা সিলেট বিভাগে পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন।

সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সিলেট বিভাগীয় সভাপতি সেলিম আহমদ ফলিক ধর্মঘট আহ্বানের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দুর্ঘটনার কারণে বাস চালক ও হেল্পারের বিরুদ্ধে মামলা নিয়ে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু মামলার এজাহারে ৩০২ ধারা যুক্ত করা নিয়ে আমরা প্রতিবাদ করেছি। এই ধারা বাতিল, পুলিশী হয়রানি বন্ধসহ ৭ দাবিতে আ্মরা ২৯ এপ্রিল কর্মবিরতি পালন করবো।

বাংলাদেশের আইনে ৩০২ ধারায় উল্লেখ রয়েছে- যে ব্যক্তি খুন করে সেই ব্যক্তি মৃত্যুদন্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদন্ডেও দন্ডিত হবে।

গত ২৩ মার্চ সন্ধ্যার দিকে ঢাকা-সিলেট রোডের শেরপুর এলাকায় সিকৃবি শিক্ষার্থী ঘোরী মো. ওয়াসিম আব্বাসকে উদার পরিবহনের একটি বাসে ভাড়া নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে বাসের সহকারী ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। ঘটনাস্থলেই বাসের চাকার নিচে পিষ্ট হয়ে ওয়াসিমের মৃত্যু হয়। পরবর্তীতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত চালক জুয়েল, হেলপার মাসুককে আটক করে।

২৫ মার্চ সিকৃবির প্রক্টর অধ্যাপক ড. মৃত্যুঞ্জয় কুণ্ডু বাদী হয়ে মৌলভীবাজার সদর থানায় বাসের চালক, সহকারী ও সুপারভাইজার সেফুল মিয়াকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-২২)। চালক ও হেল্পার গ্রেপ্তার হলেও বাসের সুপার ভাইজার এখনও পলাতক রয়েছেন।

চালক ও হেল্পার আদালতে শিক্ষার্থীকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে হত্যার ঘটনা স্ভিকার করে জাবনবন্দিও প্রদান করে।