প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ

120

আমি আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি আপনিই এই অসহায় শিশুদের শেষ ভরসা এই খুনীদের কঠিন শাস্তি প্রদানের জন্য।

আমি আজকে যেই খুনের ঘটনা ঘটছে, সেই ঘটনার পর বেশীরভাগ সময় আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম।যেহেতু ঘটনা টি ঘটেছে আমার ঘরের পাশে এবং কজন এতিম মেয়ে এবং একজন নারীর প্রতি অন্যায় অমানবিক নির্যাতন হয়েছে তার জন্যই আমি সবচেয়ে বেশী গুরুত্ব দিয়েছি সেখানে উপস্থিত থাকার জন্য।। মেয়েটির বাবা- মা বেঁচে নেই।বড় বোন লালনপালন করেই এম এ পাশ করিয়ে এই নরপিচাশের কাছে বিয়ে দিয়েছিল। তাই আমার বিবেকবোধ আমাকে বার বার নাড়া দিচ্ছিল এবং নিজ দায়িত্ববোধ থেকেই ছিলাম।
#সেখানে থাকার বিশেষ কিছু কারণ ও ছিল।
এক -পুলিশ কতটা দায়িত্বশীল হয়ে ঘটনার বিবরণ গুলো দেখছেন এবং লিখছেন এবং কোন কোন বিষয়ে গুরুত্ব দেন তদন্তের স্বার্থে। আদৌও দায়িত্ব ঠিকমতো পালন করছেন কিনা”
দুই- খুনীর মা-বোনেরা কি ভুমিকা রাখছে, তা দেখার জন্য। একটা বিষয় লক্ষ্য করলাম মেয়েটির শাশুড়ী, ননদ রা যারা ছিল তাদের ভেতর কোনোরকম অনুসূচনা নেই বললেই চলে।বরং উল্টো খুনী মা বলছে এই মেয়েকে বিয়ে করার পরদিন থেকেই আমার ছেলে এই মেয়ের মার খেয়ে আসছে।বাসর ঘরেও ছেলে শান্তি পায়নি।আমি এই বউয়ের খেদমত পাইনি। যার সাথে পরকীয়া করেছে সে তো একজন ফ্যাশনেবল মহিলা, সে কি খেদমত করতেন???
খুনী বোনদের আচরণ আরও অবাক জনক।মনে হয় ওকে মেরে ফেলে অনেক বড় কাজ তারা করতে পেরেছে ।সত্যি অবাক হচ্ছি এদের কোনোরকম ভয়ভীতি বা এতো বড় ঘটনার পর ও স্বাভাবিকভাবেই তর্ক করে সবাইকে বিব্রত করছে।তাদের আচরণে মনে হয় মেরে ফেলে আপদ বিদায় করা হয়েছে।যেমন ধূলোময়লা গায়ে লাগলে ঝেড়ে ফেলে দেয়া হয়,ঠিক মেয়েটিকে মেরে ফেলে সেই ধুলোবালি ঝেড়ে ফেলা হয়েছে বুঝাচ্ছে। সবার সাথে মা বোন সমানে তর্ক করছে। এমনকি আমি যখন পুলিশকে বলছি প্রতিদিনের নির্যাতনের ঘটনা, ওই খুনীর বোন বলছে এই মহিলা আবার কে,এতো গুলো মিথ্যে কথা বলছে! উনি আওয়ামীলীগ নেত্রী হইছো তো কি হইছে! আল্লাহ ভয় না করে কী উনাকে ভয় করবো! বলার সময় সামনে আমার বড় মেয়ে দাঁড়িয়ে কথাগুলো শুনছে।অমনি আমার মেয়ে ওই খুনীর বোনকে বলছে কার সম্পর্কে কি বলছেন, উনি আমার আম্মু এবং আমার আম্মু একবিন্দু মিথ্যে কথা বলেনি।যা ঘটনা ঘটছে সব আমরা পাশে থেকে প্রতিরাতে শুনেছি, জেনেছি।মুখ সামলে কথা বলুন।
বিষয় টি সেখানেই শেষ নয়, আমি অবাক লাশ ঘর থেকে বের হয়নি, খুনীর বোন বার বার ফোন করছে আর বলছে কাল কোটেই জামিন করাতে হবে।এরা ভাইয়াকে ষড়যন্ত্র করে ফাসাতে চাইছে।একটি মেয়েকে মেরে ফেলে খুনীদের মুখে কি করে এমন কথা বের হয় বোধগম্য নয়! আর এই খুনীকে যারা জামিন দেবে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে আমি আদালতে দাঁড়াবো।এর শেষ দেখে ছাড়বো।

খুনীর বোন কাকে যেনো ফোন করে বলছে যত টাকা লাগবে খরচ করবো।টাকা দিয়ে একটা খুনী কে বাঁচানোর জন্য তারা আগে থেকে ই ভাড়াটিয়া ঠিক করে রেখেছেন। আমি আপনাদের সকলের কাছে অনুরোধ আমার সাথে সহযোগিতা করুণ। যাতে ওই নরপিশাচ আইনের ফাঁকফোকড় দিয়ে বেরিয়ে যেতে না পারে। তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেই যাবো, আপনারা পাশে থাকলেই হবে ।একটি মেয়ে যদি অন্যায়ও করে থাকে, তাই বলে কী মেরে ফেলতে হবে! বড়জোর তাকে তালাক দিয়ে বিদায় করে দিতো ।এভাবে মেরেই ফেলতে হবে! কতটা পাশবিক এরা বালিশ চাপা অথবা শরীরের স্পর্শকাতর জায়গায় আঘাত করে মেরে, নিজেরাই গলায় ওড়না পেচিয়ে ফ্যানে ঝুলিয়ে দিয়েছে।বলছে নিজেই ফাঁসিতে ঝুলে মরেছে। আর তাদের নাকি ফাঁসিয়ে দিয়েছে।তারা নিরপরাধ। ন্যাক্কারজনভাবে হত্যা করে আবার সেই লাশের উপর দায় চাপিয়ে দিচ্ছে কতবড় অমানুষ এরা।
#একটি কথা এখানে বিশেষ ভাবে উল্লেখ করছি।যেই মেয়েকে খুন করা হয়েছে, সে প্রতিদিন স্বামীর নির্যাতনের সমস্ত কথাগুলো একটি ডায়েরি তে লিখে রেখেছিল।খুনীর একবোন নাম শিল্পী এবং বোনের জামাই নাম অপু।তারা সেই ডায়েরি লুকিয়ে সরিয়ে ফেলেছে।সবাই যখন লাশ নিয়ে ব্যস্ত,সেই ফাঁকে ওই বোন আর বোনের স্বামী কাউকে কিছু না বলেই চলে যায়।ডায়েরি যে নিখোঁজ হয়েছে তা পরক্ষণেই বুঝতে পারে খুন হওয়া সেই হতভাগ্য নারীর বড় মেয়ে কেঁদে কেঁদে বলছিল মাকে যা কিছু বাবা করতো মা তার ডায়েরি তে লিখে রাখতো। অনেক তথ্য ছিল।এরা অতি ধুরন্দর দ্রুত ডায়েরি সরিয়ে ফেলে।বুঝতেই পারছেন এরা কতটা অমানুষিক নির্যাতন বর্বরোচিত ঘটনা করেছে এতো দিন যাবৎ। তারা আর কি কি আলামত সরিয়েছে কে জানে।যদি নির্দোষ হয়ে থাকে তবে ডায়েরি টা লুকাবে কেনো!!! তাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে বিশেষ অনুরোধ যেই করে হোক ওই ডায়েরি উদ্ধারের ব্যবস্থা করুণ কার কাছে ওই ডায়েরি রেখেছে।
এখানেই বুঝা যায় হয়তো পরিবারের সকলে কথাই উল্লেখ আছে সেই ডায়েরিতে।এরা সকলের ইন্দ্রনেই স্বামী নিজ হাতে স্ত্রীকে খুন করেছে,এই জঘন্য খুনের দায়ভার এই পরিবারের সকলের ই।এরা মানসিক ভাবেই বউয়ের বিরুদ্ধে যা বলার নয় তাই বলে ছেলের মনকে বিষিয়ে তুলেছিল।আর সে নিজেও ছিল নারী লোভী বিভিন্ন মেয়েদের সাথে নারী ঘটিত ঘটনা বহুবার করেছে বলে সবাই বলাকওয়া করছে।এমনকি নিজ স্ত্রীকে ওই পরকীয়া নারীর পায়ে ধরে মাফ চাওয়াইছে।বলুন অপরাধ করে যদি অন্যায় ভাবে একজন বাজে মেয়ের কাছে পায়ে ধরে মাফ চাওয়ানো হয় তা কি করে মেনে নেয়া যায়।আমি খুনী সহ তার পরিবার এবং ওই পরকীয়া নারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করছি।আজ সেই নারীর জন্য তিনটি শিশুর জীবন অন্ধকার হয়ে গেলো। মায়ের আদর স্নেহ ভালোবাসা শাসন থেকে বঞ্চিত হলো।পৃথিবীর থেকে চিরকালের জন্য মা হারিয়ে এতিম হয়ে গেলো। আমি ওই ছোট শিশু টির মুখ ভুলতে পারছিনা।দুধের শিশু বারবার মাকে খুজছে। কিন্তু মা তো চিরকালের জন্য চলে গেছে,মাকে যে মেরে ফেলেছে এই শিশু বুঝার সেই জ্ঞান টুকুই হয়নি।কতবড় জালিম হিংস্র হায়েনা এরা অবুঝ বাচ্চাদের কথাও ভুলে গেছে।আজ তাদের নির্যাতনের যাতাকলে পিষ্ট করে দিলো, তিনটি অবুঝ শিশুর ভবিষ্যৎ। নিজেদের লাভের জন্য বাচ্চাগুলোর কথা একটি বারের জন্য মনে করেনি নরপিশাচ গুলো। সেই সাথে সহযোগিতা হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল ওই চরিত্রহীন নারী, পরকীয়ার ফাঁদে আটকিয়ে ওই নারী শুরু একটি সংসারই নয় পুরো পরিবার কে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিয়েছে।এই অন্যায়ের কোনো ক্ষমা নাই।আসুন এদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী প্রতিবাদের ঝড় তুলি।শিশুগুলোকে কে অন্তত মায়ের মৃত্যুর ন্যায় বিচারটুকু পাওয়া অধিকার আদায় করে দিতে পারি।আমার পাশে আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই।এই শিশুদের স্বার্থে।

পুলিশের ভুমিকা ছিল একেবারে ই স্বাভাবিক।

খুনী স্বামীর নাম- রায়হান মোস্তফা
পিতা মৃত – এম এ বারী
গ্রাম শাকতলী,লাঙ্গলকোট,কুমিল্লা।
বর্তমান- বনশ্রী, সি- ব্লক,বাড়ি নং- ২০, রোড নং- ২ রামপুরা ঢাকা।

পরকীয়া নারীর নাম- শামিমা নাছরিন মনি।
নিজ বাড়ি কুষ্টিয়া, বর্তমানে আফতাব নগর, এফ ব্লক,রোড নং-৪,বাড়ি -১,সাততলার বাড়ির পাঁচতলার বামে।চাকুরী করে আইডিএলসি সহকারী ব্যবস্থাপক গুলশান শাখা।