প্রেমের ফাঁদে ফেলে কিশোরীকে ধর্ষণ, প্রেমিক গ্রেফতার

155

ষোল বছর বয়সী এক কিশোরীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ করেছে তারই প্রেমিক ইমরান আহমদ (২৫)। এ ঘটনায় পুলিশও ধর্ষক প্রেমিককে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে ধর্ষিতা ষোড়শী সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান ষ্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পরীক্ষা-নিরিক্ষা করা হয়েছে। বর্তমানে সে পরিবারের লোকজনের হেফাজতে রয়েছে।

ধর্ষণের ঘটনা গত ৪ এপ্রিল ঘটেছে। এ ঘটনায় ভিকটিম ষোড়শী বাদী হয়ে সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা করেছেন।

মামলায় ধর্ষক ইমরান আহমদ (২৫) ও ধর্ষণের সহযোগীতা করায় অজ্ঞাতনামা আরো দুই-তিন জন আসামী করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ধর্ষক ইমরানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেট মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মোহাম্মদ ছাহাবুল ইসলাম বলেন, মামলা দায়ের করার পরপরই আমরা আসামীকে গ্রেফতার করেছি। আইনি যতো ধরনের সহযোগিতা প্রয়োজন সেটা পুলিশ করবে।

ভিকটিমের পরিবার জানায়, ওই কিশোরীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে ইমরান। ঘটনার দিন ৪ এপ্রিল সন্ধ্যায় ইমরান তাকে বেড়াতে নিয়ে যাবে বলে সিএনজি চালিত অটোরিকশা নিয়ে শেখঘাট কলাপাড়ায় আসে। কিশোরী অটোরিকশায় ওঠে দেখে ইমরানের সাথে তার আরও দুই বন্ধু রয়েছে। ইমরান তাকে শাহপরাণ (রহ.) থানার মিরেরচকে নিয়ে যায়। সেখানে যাওয়ার পর জোরপূর্বক ইমরান তাকে একটি দোকানে বন্দি করে রাতভর ধর্ষণ করে। এরপ্রেক্ষিতে গত ৭ এপ্রিল সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানায় ধর্ষক প্রেমিক ইমরানের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো দুই-তিন জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। মামলার ভিত্তিতে কোতোয়ালি মযেল থানা ওই দিন ধর্ষক ইমরানকে শাহপরাণ (রহ.) থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। ধর্ষক ইমরান শাহপরাণ থানার মিরেরচক গ্রামের অলিউর রহমানের ছেলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি (তদন্ত) ছাহাবুল ইসলাম বলেন, আমরা মামলার প্রধান আসামীকে গ্রেফতার করেছি। অজ্ঞাত আসামীদের গ্রেফতার করতে অভিযান চালাচ্ছি।